লক্ষ্য: থ্রিপস, ডাউনি মিলডিউ ও পার্পল ব্লচ নিয়ন্ত্রণ করে ফলন বৃদ্ধি করা।
উদ্দেশ্য: আগাম পোকা ও ছত্রাক প্রতিরোধ।
কীটনাশক (থ্রিপস/জাব পোকা): ইমিডাক্লোপ্রিড ১৭.৮ SL (০.৩ মি.লি./লিটার) অথবা থায়ামেথক্সাম ২৫ WG (০.২ গ্রাম/লিটার)।
ছত্রাকনাশক: ম্যানকোজেব ৭৫ WP (২ গ্রাম/লিটার)।
টিপস: এই দুটি ওষুধ একসাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যাবে।
উদ্দেশ্য: থ্রিপস পোকা এবং পাতার দাগ রোগ দমন।
কীটনাশক (থ্রিপস): স্পিনোসাড ৪৫ SC (০.৩ মি.লি./লিটার) অথবা অ্যাবামেকটিন ১.৮ EC (০.৫ মি.লি./লিটার)।
ছত্রাকনাশক (পার্পল ব্লচ): প্রপিকোনাজল ২৫ EC (০.৫ মি.লি./লিটার)।
উদ্দেশ্য: ডাউনি মিলডিউ ও থ্রিপস পোকা নিয়ন্ত্রণ (ঠান্ডা ও কুয়াশায় বিশেষ জরুরি)।
ছত্রাকনাশক (ডাউনি মিলডিউ): মেটালাক্সিল + ম্যানকোজেব (২ গ্রাম/লিটার)।
কীটনাশক (থ্রিপস): ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন ২.৫ EC (১ মি.লি./লিটার) — থ্রিপসের আক্রমণ বেশি হলে।
উদ্দেশ্য: পেঁয়াজের কন্দ (Bulb) গঠন সুরক্ষা।
কীটনাশক (থ্রিপস/পাতা খেকো): এসিটামিপ্রিড ২০ SP (০.২৫ গ্রাম/লিটার)।
ছত্রাকনাশক: হেক্সাকোনাজল ৫ EC (১ মি.লি./লিটার)।
উদ্দেশ্য: কন্দ বড় হওয়ার সময় শেষ পর্যায়ের রোগ নিয়ন্ত্রণ।
ছত্রাকনাশক (পার্পল ব্লচ/স্টেমফাইলিয়াম): কারবেনডাজিম ৫০ WP (১ গ্রাম/লিটার) অথবা আজোক্সিস্ট্রোবিন ২৩ SC (১ মি.লি./লিটার)।
সময়: সবসময় রোদ পড়ার আগে (সকালে) অথবা রোদের তীব্রতা কমলে (বিকেলে) স্প্রে করুন।
পরিবর্তন: একই গ্রুপের কীটনাশক বারবার ব্যবহার করবেন না, এতে পোকার প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। ওষুধ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করুন।
পদ্ধতি: থ্রিপস পোকা পাতার ভাঁজে লুকিয়ে থাকে, তাই স্প্রে করার সময় পাতার ভেতরের দিকে ভালোভাবে ওষুধ পৌঁছানো নিশ্চিত করুন।
সেচ: জমিতে কোনোভাবেই পানি জমতে দেবেন না, এটি পচন রোগের মূল কারণ।
নিরাপদ কাল: ফসল সংগ্রহের কমপক্ষে ১০-১২ দিন আগে সব ধরনের রাসায়নিক স্প্রে বন্ধ রাখুন।
এই শিডিউলটি মেনে চললে পেঁয়াজের কন্দ বড় ও পুষ্ট হবে এবং আপনি সর্বোচ্চ ফলন আশা করতে পারেন।