এই ধাপে ১ কেজি বীজ এবং আপনার উল্লেখিত বীজতলার সারের হিসাব ধরা হয়েছে।
| বিবরণ | পরিমাণ | আনুমানিক দর (টাকা) | মোট (টাকা) |
| পেঁয়াজ বীজ (সুখ সাগর) | ১ কেজি | ৪,৫০০ - ৫,০০০ | ৫,০০০ |
| জমি তৈরি (ইউরিয়া, চাষ, লেবার) | -- | -- | ১,০০০ |
| বীজতলার সার ও ঔষধ | টিএসপি, পটাশ, রুটোন, বোরন, নাইট্রো ইত্যাদি) | -- | ১,৫০০ |
| বীজ শোধন (মেনসার) | ৩৫ গ্রাম | ১০০ | ১০০ |
| চারা পরিচর্যা সার (২১-৪০ দিন) | (ইউরিয়া, দস্তা, ডিএপি, ম্যাগমা)* | -- | ৩,৫০০ |
| উপ-মোট (বীজ ও চারা) | ১১,১০০ টাকা |
চারা রোপণের দিন পর্যন্ত খরচ।
| বিবরণ | পরিমাণ | আনুমানিক দর (টাকা) | মোট (টাকা) |
| আগাছা দমন (ইউরিয়া + সেচ + জাহামা) | -- | -- | ৮০০ |
| জমি চাষ (ট্রাক্টর/পাওয়ার টিলার) | ৩-৪ চাষ + মই | -- | ৩,০০০ |
| শেষ চাষের সার | টিএসপি ২৫ কেজি, পটাশ ১৫ কেজি, দস্তা ২ কেজি, ফোরাডান ২ কেজি | -- | ২,২০০ |
| রোপণের সার ও ঔষধ | ডিএপি ১৫ কেজি, ইউরিয়া ১০ কেজি, প্যানিডা (৩ বোতল) | -- | ১,৮০০ |
| শ্রমিক (চারা রোপণ) | আনুমানিক ১০-১২ জন | ৬০০ টাকা/জন | ৭,২০০ |
| উপ-মোট (জমি ও রোপণ) | ১৫,০০০ টাকা |
আপনার দেওয়া ৪টি সেচ এবং সারের ধাপ অনুযায়ী খরচ।
| বিবরণ | পরিমাণ/ধাপ | মোট (টাকা) |
| ১ম স্প্রে (৫-৭ দিন) | ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক | ৪০০ |
| ২য় সেচ ও সার (১০-১৫ দিন) | ড্যাপ ৩০ কেজি, ইউরিয়া ২০ কেজি, প্যানিডা (ঘাস মারা) | ২,৫০০ |
| ৩য় সেচ ও সার (৩০-৩৫ দিন) | টিএসপি ৫০ কেজি, ইউরিয়া ২০ কেজি, ম্যাগমা, থিওভিট, প্যানিডা | ৩,৮০০ |
| ৪র্থ সেচ ও সার (৫০-৫৫ দিন) | ইউরিয়া ৩০ কেজি, সালফেট ১০, দস্তা ১০, পটাশ ২৫, প্যানিডা | ৪,২০০ |
| সেচ খরচ (মোট ৪-৫ বার) | জ্বালানি/বিদ্যুৎ | ৩,০০০ |
| নিড়ানি ও পরিচর্যা শ্রমিক | ২ বার (মাটি আলগা করা) | ৪,০০০ |
| অতিরিক্ত স্প্রে | রোগবালাই অনুযায়ী (সপ্তাহে ১ বার ধরলে) | ৩,০০০ |
| উপ-মোট (পরিচর্যা) | ২০,৯০০ টাকা |
| বিবরণ | বিস্তারিত | খরচ (টাকা) |
| ফসল তোলা ও প্রসেসিং | শ্রমিক খরচ | ৪,০০০ |
| পরিবহন ও বিবিধ | -- | ১,০০০ |
| উপ-মোট | ৫,০০০ টাকা |
| খাতের নাম | খরচ (টাকা) |
| ১. বীজ ও চারা তৈরি | ১১,১০০ |
| ২. জমি তৈরি ও রোপণ | ১৫,০০০ |
| ৩. সেচ ও পরিচর্যা | ২০,৯০০ |
| ৪. উত্তোলন ও বিবিধ | ৫,০০০ |
| সর্বমোট আনুমানিক খরচ | ৫২,০০০ টাকা (± ১০%) |
আয়-ব্যয়ের ধারণা:
ভালো ফলন হলে ১ বিঘা জমিতে ১০০ থেকে ১২০ মণ সুখ সাগর পেঁয়াজ পাওয়া সম্ভব।
যদি গড় বাজার দর ৮০০ টাকা/মণ হয়, তবে বিক্রয় মূল্য: ৮০,০০০ - ৯৬,০০০ টাকা।
মৌসুমের শেষে বা সংরক্ষণের পর বিক্রি করলে দাম আরও বেশি পাওয়া যায়।
সতর্কতা: সারের দাম ও শ্রমিকের মজুরি এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে। এছাড়া আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে স্প্রে বা সেচের খরচ কম-বেশি হতে পারে।