শুরুতে আপনাদের একটি সুন্দর বেড তৈরি করতে হবে। বেডে ৪৫ দিন মত চারা থাকার পর, উপযুক্ত সময় সুযোগ বুঝে চারা জমিতে রোপণ করতে হবে।
চারা রোপণের জন্য আগে থেকেই আপনার জমি ভাল করে চাষ দিতে হবে এবং শেষ চাষে সার ও কীটনাশক দিয়ে জমি প্রস্তুত করে নিতে হবে।
চারা প্রস্তুত এবং জমি প্রস্তুত। এখন জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণের পালা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়ার সংবাদ জেনে শুনে উপযুক্ত সময় সুযোগ বুঝে জমিতে চারা রোপণ করতে হবে।
পেঁয়াজের চারা কাঁদার ভিতর রোপণ করতে হবে বা নরম মাটিতে চারা লাগিয়ে সেচ দিলেও হবে। এতে কোন সমস্যা হবে না।
নাসিক পেঁয়াজ চাষ বর্ষাকালীন হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় সেচ,সার, কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক কম লাগে। অন্যান্য পেঁয়াজ চাসের মতই সার সেচ, কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক দিতে হবে। তবে ইউরিয়া সারের পরিমান কম দিতে হবে।
খেয়াল রাখতে হবে পেঁয়াজের চারা বর্ষার পানিতে মারা জেন না যায়। এই জন্য উচু এবং ঢালু জমি নাসিক পেঁয়াজ চাসের জন্য উপযুক্ত।
এক বিঘা অর্থাৎ ৩৩ শতক জমিতে ১৮০ থেকে ২০০ মন পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে। নাসিক পেঁয়াজ ঘরে সংরক্ষণ করে রাখা যায় না । জমি থেকে পেঁয়াজ তোলার পর পর বিক্রয় করে দিতে হবে। তবে আমরা জানতে পেরেছি নাসিক পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যায়। তবে কিভাবে সংরক্ষণ করা যায় আমরা জেনে শিখে আপনাদের জানাবো ইনশাল্লাহ।
পেঁয়াজ বিক্রয়ের উপযুক্ত হয়ে গেলে বিক্রয় করে দিতে হবে। নাসিক পেঁয়াজ অসময়ে উৎপাদন হয় বলে বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়। নাসিক পেঁয়াজ চাষ অনেক লাভজনক একটি চাষ। এই নাসিক পেঁয়াজ চাষ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে দেশে কিছুতে পেঁয়াজের ঘাটতি পুরুন হতে পারে।